ধরা খেয়ে এসআই বললেন, ‘আমার বাড়ি গোপালগঞ্জ’

বিমানে ভ্রমণ করার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই আত্মীয়কে এগিয়ে দেয়ার নাম করে ব্যাংককগামী থাই এয়ারওয়েজের একটি বিমানে উঠে বসেছিলেন পুলিশের একজন উপপরিদর্শক (এসআই)। বিষয়টি ‘নজরে’ আসার পর ওই এসআই তার বাড়ি গোপালগঞ্জ বলে পরিচয় দেন।

bangladesh biman

ঘটনাটি ঘটেছে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে। শনিবার দিবাগত রাতে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আশিকুর রহমান বিমানবন্দর থেকে ব্যাংককগামী থাই এয়ারওয়েজের একটি বিমানে উঠে বসেন। বিষয়টি ধরা পড়ার পর পাইলট ‘নিরাপত্তা ঝুঁকি’র কথা বলে বিমান চালাতে অস্বীকার করেন। ফলে ব্যাংককগামী টিজি-৩৪০ উড়োজাহাজটি রাত দুইটার সময় ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও এক ঘণ্টা দেরিতে রাত তিনটায় ঢাকা ত্যাগ করে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ঢাকা রেঞ্জে কর্মরত এসআই আশিকুর রহমান পুলিশের নীল ইউনিফরম পরে বিমানবন্দরে ঢুকে পড়েন। ঢোকার সময় নিরাপত্তা কর্মকর্তারা তাকে আটকালে তিনি তদন্তের প্রয়োজনে ভেতরে যাওয়া প্রয়োজন বলে অজুহাত দেখান। এরপর বিমানবন্দরের গ্রিন চ্যানেল অতিক্রম করে তিনি থাই এয়ারওয়েজের ভেতরে উঠে বসেন।

বিমানটি উড্ডয়নের আগ মুহূর্তে আশিকুর রহমানের উপস্থিতি টের পেলে পাইলট বিমান ছাড়তে অস্বীকৃতি জানান। পরে বিমানকর্মীরা তাঁকে নামিয়ে আর্মড পুলিশের হেফাজতে দেয়। এরপর সিভিল এভিয়েশন ও বিমানবন্দরের লোকজন বিমানটির ক্যাপ্টেনের সঙ্গে আলোচনা করে রাত তিনটার দিকে বিমানটি ছাড়ার ব্যবস্থা করেন।

ধরা পড়ার পর এসআই আশিকুর রহমান তার বাড়ি গোপালগঞ্জ বলে জানান। তিনি জানান, তিনি তার মামীকে এগিয়ে দিতে বিমানের ভেতরে উঠেছিলেন। এই ঘটনার পর পুলিশ ও বিমানবন্দরে নিয়োজিত বিভিন্ন সংস্থা নানাভাবে বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

Loading...

About চিফ ইডিটর

View all posts by চিফ ইডিটর →

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.